রহমত, মাগফেরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে যে রমযান আমাদের মাঝে এসেছিল তা বিদায়ের পথে। আমরা কতটুকু অর্জন করতে পারলাম তার হিসাব মেলানো দরকার। আমাদের পাপরাশি মিটিয়ে দেয়া ও নেকির পাল্লা ভারি করা ও জীবনাচার পরিশুদ্ধ করার এক অপূর্ব সুযোগ নিয়ে এসেছিল এই রমযান ও রোযা। রোযা সব পাপাচার থেকে আমাদেরকে হেফাজত করবে। সে শক্তি রোযার ছিল। রোযা তো এজন্যই ফরজ করা হয়েছে যাতে মানুষের মাঝে তাকওয়ার গুণ সৃষ্টি হয়। আল্লাহর ভয়ই পারে মানুষকে পাপাচার থেকে দূরে রাখতে ও আল্লাহর বিধান মেনে চলার শক্তি যোগাতে। কত চমৎকারভাবেই না রসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন : ‘রোযা একটি ঢাল। তোমাদের কেউ যখন রোযা রাখবে, তখন সে যেন অশ্লীল কথা না বলে ও অভদ্র আচরণ না করে। কেউ যদি তার সাথে মারামারি বা গালাগালি করতে আসে তবে সে যেন দু’বার বলে আমি রোযাদার’- বুখারি ও আবু দাউদ। ঢাল তো তাই যা যুদ্ধের ময়দানে শত্রুর আক্রমণ থেকে একজনকে রক্ষা করে। রোযাকে ঢাল হিসেবে উল্লেখ করার মধ্য দিয়ে রসুল (সা) রোযার কার্যকারিতা ব্যাখ্যা করেছেন। রোযা রাখার মাধ্যমে একজন রোযাদারের উপলব্ধি তো এটিই, সে আল্লাহর দৃষ্টির বাইরে নয় এবং সে যদি গোপনে পানাহার বা যৌন চাহিদা পূরণ করে তা...
ইসলাম ও সমসাময়িক বিষয়ে ব্যক্তিগত ব্লগ