Skip to main content

Posts

Showing posts with the label নামাজ

নামায মানুষকে সুশৃঙ্খল করে

আল্লাহর আনুগত্যের সর্বোত্তম নিদর্শন নামায। ঈমান আনার পরে, সে যে ঈমানের দাবীতে সত্যবাদী তার প্রমাণ নামায। নামাযই একজন মুসলিম ও কাফিরের মাঝে পার্থক্য তৈরী করে। হাদিসে নামাযকে বেহেশতের চাবি বলা হয়েছে। আপনার হাতে ঘর খোলার চাবি থাকলে স্বাভাবিকভাবে আশা করতেই পারেন, ‘আমি সেই ঘরের বাসিন্দা হবো ইনশা-আল্লাহ’। প্রশ্ন উঠতে পারে, নামাযের মধ্যে এমন কী আছে যা মানুষকে জান্নাতে নিয়ে যায়? এর জবাব আল্লাহ নিজেই দিয়েছেন। ‘নিশ্চয়ই নামায মানুষকে অন্যায় ও অশ্লীল কাজ থেকে বিরত রাখে’- আনকাবুত ৪৫। আল্লাহ তায়ালা বড় নিশ্চয়তা দিয়ে কথাটি বলেছেন। অন্যায় ও অশ্লীল কাজ মানুষকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়। আর নামায মানুষকে সব ধরনের মন্দ কাজ থেকে ফিরিয়ে রাখে। হয়তো বলবেন, নামায পড়েও তো অনেক মানুষ অন্যায় করে। আসলে ঠিক নয়। ওরা প্রতারক, নামাযকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে মানুষকে ধোকা দেয়, ‘আমি নামাযী, বড় ভালো মানুষ’। আপনি অনুতপ্ত হন, আল্লাহর ভয়ে নামায শুরু করুন; দেখবেন সহসা আপনার জীবনে পরিবর্তন শুরু হয়ে গেছে। সারাজীবন নামায পড়েননি। তাতে কী? আপনি এখনই তাওবা করুন। শুধু বলুন, পরোয়ারদেগার! ভুল হয়ে গেছে। মুখে উচ্চারণে সময় লাগতে পারে, ...

ইসলামে নামাযের গুরুত্ব

নামায প্রসঙ্গে মুফতি কাজী ইব্রাহিম সাহেবের প্রশ্নোত্তর শেয়ার করেছিলাম। তাতে তিনি বেনামাযীকে অমুসলিম বলে জানাযা না পড়ার কথা জোর দিয়ে বলেছেন। মন্তব্যে সেটা নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে বেশ কিছু লেখা এসেছে। মুফতি কাজী ইব্রাহিম বেশ জনপ্রিয় একজন আলেম। সম্প্রতি ইমাম মেহেদি ও করোনা ভাইরাস নিয়ে কথা বলে তিনি সমালোচিত হয়েছেন। এ বিষয়ে আমার তেমন জ্ঞান না থাকায় নীরব থাকাটা উত্তম বলে মনে করি। আমি নিজে ড. ইউসুফ আল কারযাভী ও ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহ)-এর ভক্ত এবং তাঁদের দ্বারা অনেকখানি প্রভাবিত। এ ছাড়া সমসাময়িক স্কলারদের আলোচনা শুনে থাকি এবং নিজে উপকৃত হওয়ার চেষ্টা করি। মোটামুটি সবার প্রতি শ্রদ্ধা রয়েছে। সবার কথা মানতে হবে এমনটি মনে করি না। নামায দ্বীনের ভিত্তি এবং ঈমান আনার পরে একজন ব্যক্তি তখনই নিজেকে মুসলিম দাবী করতে পারে যদি সে নামায আদায় করে। এই মতের সাথে আমি একমত। রসুল (সা) মদীনায় ইসলামী রাষ্ট্রের সর্বেসর্বা। তিনি একাধারে রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান, প্রধান বিচারপতি, সেনাপ্রধান, আবার মসজিদের খতিব ও ইমাম। অত্যন্ত ব্যস্ত মানুষ। কিন্তু তাঁর কাছে সবচেয়ে অগ্রাধিকার ছিল জামায়াতে নামায। শুধু তাঁ...

নামাযের ব্যবহারিক গুরুত্ব

একজন ব্যক্তির মুসলমান দাবীতে সে যে সত্যবাদী তার প্রমাণ হলো নামাযের জামাতে উপস্থিত হওয়া। রসূল (সাঃ)-এর সময়ে কোন ব্যক্তি কয়েক দিন জামাতে অনুপস্থিত থাকলেই সাহাবারা (রাঃ) বলে বসতেন, সে মুনাফিক হয়ে গেছে। এ জন্য মুনাফিকরা মুসলমান হিসেবে পরিচয় দানের জন্য বাধ্য হয়ে জামাতে শরীক হত। মুনাফিকদের সম্পর্কে সূরা আল মাউনে বলা হয়েছে, ‘তারা নামাযে অবহেলা করে, শৈথিল্য প্রদর্শন করে এবং লোক দেখানো কাজ করে’। রসূল (সাঃ) ও সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ)-এর যুগে নামায ত্যাগকারী লোকদের মুসলমান পরিচয় দানের কোন সুযোগ ছিল না। আল্লাহপাক এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘নামায নিঃসন্দেহে কঠিন কাজ, কিন্তু কঠিন নয় তাদের জন্য যারা আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের ভয় রাখে’-সূরা আল বাকারা। তিনি আরো বলেন, ‘জাহান্নামীদের জিজ্ঞেস করা হবে, কোন জিনিস তোমাদেরকে জাহান্নামে নিয়ে আসলো?-তারা বলবে, আমরা নামাযী লোকদের মধ্যে গণ্য ছিলাম না’- সূরা আল মুদ্দাস্িসর। এতে বোঝা যায়, নামায না পড়া অর্থ আখিরাতকে অবিশ্বাস এবং জাহান্নামে যাওয়ার উপযুক্ত হওয়া। হাদীসে স্পষ্ট বলা হয়েছে কাফির ও মুসলমানের মধ্যে পার্থক্যকারী বিষয় হলো নামায। হাদীসের ভাষ্য মতে নামায ত্যাগকারী ব্যক্তি মূলত ...