Skip to main content

Posts

Showing posts with the label পরিবার

রিমুলের স্ত্রী হেলেন আজ বাসায় ফিরেছে

বিআরবি হাসপাতালে প্যানক্রিয়েটিক অপারেশন শেষে আজ   দুপুরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হেলেনকে রিলিজ দিয়েছে। গত ১২/১০/২০১৭ তারিখ বিশিষ্ট প্যানক্রিয়েটিক সার্জন প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ আলী হেলেনের অপারেশন করেন। অপারেশন এবং তৎপরবর্তী অবস্থা বেশ ভালো। আলহামদু লিল্লাহ। হাসপাতালে মোট বিল পরিশোধ করতে হয়েছে দুই লক্ষ সাড়ে চার হাজার টাকা। হেলেনের সার্বক্ষণিক পরিচর্যা ও কাছে ছিল তার বড় বোন মুন্নি ও রিমুল। মুন্নি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র নার্স। ঢাকায় অবস্থানরত রিমুলের ভাই-বোনসহ আত্মীয়-স্বজন সবাই দেখা-সাক্ষাত ও খোঁজ-খবর নিয়েছে। আমার শ্বশুর অপারেশনের দিনসহ একাধিক দিন হাসপাতালে আসছেন। হেলেনের দুলা ভাই শিমুল অপারেশনের দিন কুষ্টিয়া থেকে এসেছিল। আমরা আল্লাহর কাছে হেলেনের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।২২/১০/২০১৭

রনির সাথে কথা হলো

কুশলাদি জানার পর তার সাংসারিক হালহাকিকত জানতে চাইলাম। বৃত্তি পায় ১৮০০ ডলার (বাংলাদেশী টাকায় এক লক্ষ চুয়াল্লিশ হাজার টাকা)। এর মধ্যে ৩০০ ডলার ট্যাক্স হিসেবে কেটে রাখার পর নগদ পায় ১৫০০ ডলার (বাংলাদেশী টাকায় এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা) আমাদের দেশীয় হিসেবে কম নয়। ব্যয়টা হলো বাসা ভাড়া ৬৫০ ডলার, মাহেরের স্কুলের বেতন ৬২৫ ডলারে এবং গাড়ি ও ইন্সুরেন্স বাবদ ব্যয় ৩০০ ডলার। এতেই চলে যায় ১৫৭৫ ডলার (তার মানে ৭৫ ডলার বেশি)। এরপর সংসারের বাজার, ছেলের লেখাপড়ার আনুষঙ্গিক ব্যয় ইত্যাদি হিসেব করে কোনভাবেই আমি মেলাতে পারছিলাম না। কিভাবে চলছো, জিজ্ঞেস করলে হেসে দিয়ে জানালো যে, চলে যাচ্ছে এবং একটু ধারদেনা হচ্ছে। তার কথা হলো, গবেষণাটা এগিয়ে নিতে পারলে সবকিছু ম্যানেজ হয়ে যাবে। গবেষণায় যে পরিমাণ সময় ও মনোযোগ দেয়া দরকার তা সে দিতে পারছিলো না। এখন সকাল ৮টার মধ্যে বাসা থেকে বের হয়ে মাহেরকে স্কুলে দিয়ে তার ল্যাবরেটরিতে চলে যায় (দুপুরের খাবার বাসা থেকে নিয়ে সেখানে খায়) এবং বিকেল ৪টার সময় মাহেরকে নিয়ে বাসায় ফিরে। একটু বিশ্রাম নিয়ে বা বাজার করার প্রয়োজন হলে সেরে আবার রাত্রে চলে যায় এবং দীর্ঘ রাত ল্যাবরেটরিতে কাটায়। ...

রনির আম্মা কষ্ট ও আনন্দের মাঝে আমেরিকা রওয়ানা দিল

রনির আমেরিকা যাওয়া পাঁচটি বছর (৪ঠা জুলাই ২০১২) অতিক্রম করেছে। মাঝে ওহী ও মাহের ঘুরে গেলেও এই পাঁচ বছরের মধ্যে মা-ছেলে একত্রিত হতে পারেনি। ছেলে, ছেলেবৌ ও নাতির সাথে মিলিত হবার একটি বাসনা খুবই স্বাভাবিক এবং এই যাওয়ার মাঝে সেটা পূরণ হওয়ার একটি আনন্দ। পক্ষান্তরে আমি সঙ্গী হতে না পারা এবং নাতি-নাতনী (তাসিফা, আহমদ ), ছেলে-মেয়েসহ তার আব্বা-আম্মা-শাশুড়ি, ভাই-বোন, দেবর-ননদ ও অগণিত কাছের মানুষকে ছেড়ে যাওয়ার বেদনা। ফলে এই ভ্রমণে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। আর এটাই দুনিয়ার নিয়ম। নিরবচ্ছিন্ন সুখ বা দুঃখ বলে কিছু নেই।  রনি আমাদের চার ভাই-এর প্রথম সন্তান (অর্থাৎ বংশের তৃতীয় প্রজন্মের প্রথম) এবং তার নানার পরিবারেরও (ছেলে-মেয়ে উভয়ের) প্রথম। ফলে উভয় পরিবারে তার প্রতি একটু বাড়তি দরদ ও ভালোবাসা বিদ্যমান। খুবই স্বল্প সময়ের নোটিশে রনির আম্মা আমেরিকা রওয়ানা হলো। রনির চাচা-চাচী, মামা-মামী ফুফু-ফুফা,খালা-খালু ও ভাই-বোন সবারই মাঝে ছিল আন্তরিকতা ও দরদের ছোঁয়া। আমেরিকা যাওয়ার কথা শুনলেই একটি ভয় কাজ করে। তাহলো ভিসাজনিত জটিলতা ও মোটা অংকের ব্যয়। আল্লাহর মেহেরবানীতে খুব সহজে ভিসাপ্রাপ্তি ও কাতার এয়ারওয়ে...

আহমাদ তাওফির জন্ম

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম গত ৩১ শে জুলাই ২০১৭, ১৬ই শ্রাবণ ১৪২৪, ০৬ই জিলকদ ১৪৩৮ সোমবার দুপুর পৌনে বারোটায় স্কয়ার হাসপাতালে আমাদের মেয়ে-জামাই তাহেরা ও মনিরের প্রথম মেয়ে তাসিফার পরে ছেলের জন্ম হয়। জন্মের সময় বাচ্চার ওজন ছিল ৩ কেজি ৬৭৪ গ্রাম। সিজার করে বাচ্চার জন্ম হয়। আল্লাহতায়ালার অপার মেহেরবাণীতে কোন ধরণের জটিলতা ছাড়াই সুস্থ ও স্বাভাবিক সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। আলহামদু লিল্লাহ। জন্মের সময় মনিরসহ তাওফির দাদী-নানী ও দুই ফুফু মোহসিনা ও তামান্না হাসপাতালে উপস্থিত ছিল। স্কয়ার হাসপাতাল বাংলাদেশের সেরা হাসপাতালসমূহের অন্যতম। এটার সেবার মান যেমন উন্নত তেমনি ব্যয়বহুলও। এক লক্ষ ত্রিশ হাজার টাকার প্যাকেজে (ভর্তির সময়েই পরিশোধ করতে হয়) সেখানে ভর্তি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে আর কোন ব্যয় বা বখশিস জাতীয় কিছু লাগেনি। হাসপাতালের শৃঙ্খলা ও পরিবেশ বেশ উন্নত। দর্শনার্থী সেখানে খুবই সীমিত। সন্তান জন্মের পাঁচ ঘন্টা পরে শিশু ও তার মাকে কেবিনে দেয়া হয়। কেবিনে দেয়ার পরে আমরা দুই বেয়াই (তাওফির দাদা ও নানা) হাসপাতালে যাই। সেদিনই ছেলের মা-বাবা মিলে নাম রাখে আহমদ তাওফি। হাসপাতালে বেশ প্রশস্ত কেবিনে মনিরের সাথে ...

আমার নাতির নাম রাখা হয়েছে আহমদ তাওফি

‘আমি আবার নানা হলাম’ লিখে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম। ২/১ জন আমার নাতির নাম জানতে চেয়েছেন। আজ বাদ আছর আমরা দুই বেয়াই (নাতির দাদা ও নানা) স্কয়ারে গিয়েছিলাম নাতিকে দেখতে। জন্মের ঘন্টা পাঁচেক পরে মা ও শিশুকে তাদের কেবিনে দিয়েছে। উভয়ই ভালো আছে। আলহামদু লিল্লাহ। আগামী বৃহস্পতিবার ইনশা-আল্লাহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রিলিজ করে দিবে। মেয়ে-জামাইকে জিজ্ঞেস করলাম কী নাম রাখা হয়েছে? তারা বললো আহমদ তাওফি। স্কয়ারে দেখা-সাক্ষাতে একটু ঝামেলা করে এবং বাইরের কোন কিছু নেয়ার ক্ষেত্রে একেবারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আমরা আমাদের নাতির জন্য দোয়া করি এবং সকল শুভাকাঙ্খীর কাছে দোয়া চাই। 31/07/2017

আমি আবারো নানা হলাম

আমার আব্বা-আম্মার অনেক নাতি-নাতনী। সে হিসেবে আমি অনেক আগেই দাদা ও নানা হয়েছি। আল্লাহপাক আমাকে তিন ছেলে ও এক মেয়ে দান করেছেন। মেয়ের ঘরে প্রথম মেয়ের পর চার বছরের পরে এবারে আল্লাহপাক এক ছেলে দান করেছেন। আলহামদু লিল্লাহ। স্কয়ার হাসপাতালে আজ দুপুর পৌনে বারটায় সিজার করার মাধ্যমে সন্তান জন্ম হয়। ওজন হয়েছে ৩কেজি ৬৭৪গ্রাম। আমার মেয়ে ও নাতি সুস্থ আছে। হাসপাতালে আমার মেয়ের পাশে রয়েছেন জামাই, নবজাতকের দাদী, নানী ও দুই ফুফু। প্রথমে শুভ সংবাদটা আমাকে জানায় নাতির নানী এবং আমি প্রথম জানাই আমার মাকে। আমার মা একটু পূর্বে ফোন করে জানতে চেয়েছিলেন। এরপর জানাই আমার বেয়াইকে। আজ সোমবার। এ দিনেই জন্মগ্রহণ করেছিলেন আমাদের প্রিয়তম নবী (সা)। আমরা আল্লাহতায়ালার কাছে দোয়া করি, আমার এ নাতি যেন সত্যিকার অর্থে আমাদের নবী (সা)-এর অনুসারী হতে পারে। আমি তার ও তার মার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করি এবং আল্লাহপাক যেন এ সন্তানের মাধ্যমে তার বাবা-মাসহ পরিবারের সবার চোখকে শীতল করে দেন। আমিন। ৩১/০৭/২০১৭

১৬ মার্চ আমাদের পরিবারের জন্য এক শুভ দিন

AvR 16 gvP©| 1983 m‡b AvR‡Ki w`‡b Avgv‡`i cÖ_g mšÍvb †gvt gvngy`yi ingvb iwb Rb¥MÖnY K‡i| †m ïay Zvi wcZv-gvZvi cÖ_g mšÍvbB bq, mv‡_ mv‡_ Zvi `v`vi es‡kiI cÖ_g A_©vr Avgv‡`i Pvi fvB-Gi cÖ_g mšÍvb| Aek¨ Gi c~‡e© Avgvi AveŸv-Av¤§v bvbv-bvbx nIqvi †mŠfvM¨ AR©b K‡ib| Avwg Avgvi AveŸv-Av¤§vi cÖ_g mšÍvb, Avevi Avgvi ¯¿xI Zvi wcZv-gvZvi cÖ_g mšÍvb Ges iwb Zvi bvbv-bvbxi cÖ_g bvwZ| d‡j †m Zvi `v`v-`v`x I bvbv-bvbx Dfq cwiev‡i eo Avb›` e‡q Av‡b Ges mKj AvZ¥xq-¯^R‡bi AZ¨šÍ †¯œn-Av`‡i eo nq| eZ©gv‡b †m Zvi cwievi wb‡q my`~i Av‡gwiKvq Ae¯’vb Ki‡Q| †mLv‡b ¯¿x I †Q‡j gv‡ni‡K wb‡q †jLvcov Ki‡Q| ey‡qU †_‡K Abvm© wWwMÖ wb‡q wKQzw`b mvD_B÷ BDwbfvwm©wU‡Z cÖfvlK wn‡m‡e `vwqZ¡ cvj‡bi c‡i D”PZi wkÿvi Rb¨ Av‡gwiKv cvwo †`q 4 AvM÷ 2012 m‡b| †mLv‡b MS m¤úbœ K‡i GLb wcGBPwW M‡elYviZ| cig KiæYvgq AvjøvnZvqvjvi `iev‡i †`vqv Kwi wZwb †hb cÖev‡m Ae¯’vbiZ Avgv‡`i †Q‡j, †eŠgv I bvwZ‡K Zuvi c~Y© †ndvR‡Z MÖnY K‡ib I Cgv‡bi Ici AwePj iv‡Lb Ges M‡elYvq mvdj¨ `vb K‡ib| Avwgb| we‡`‡k Ae¯’vbiZ Avgv‡`i cwiev‡ii m...