রমযান মাসকে পাওয়ার লক্ষ্যে প্রিয়তম নবী (সা) ও তাঁর সাহাবীরা (রা) রজব মাস থেকেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতেন এবং রমযান পর্যন্ত পৌঁছে দেয়ার জন্য আল্লাহর কাছে কাতরভাবে প্রার্থনা করতেন। মু ’ মিন বান্দারা আল্লাহপাকের অজস্র রহমতে সিক্ত হয়ে উঠে এ মাসে। প্রকৃতির রাজ্যেও বিরাজ করে এক শীতলতা। বৈশাখ-জৈষ্ঠ্য মাসে রোযা কিন্তু আবহাওয়ার সেই রুক্ষতা নেই। শুধু এ বছরই না, অতীতেও তাই দেখা গেছে। ফলে অত্যন্ত প্রশান্তচিত্তে মু ’ মিন গুনাহমুক্ত এক নতুন জীবন লাভের আশায় রোযা পালনসহ ইবাদত-বন্দেগীতে নিয়োজিত হয়ে পড়ে। বান্দাহ যখন আল্লাহর ভয়ে ভীত হয়ে পড়ে ও নিজের গুনাহ ক্ষমা করে নেয়ার সুযোগ পায় সে তখন অন্তরে এক প্রশান্তি অনুভব করে। এ প্রশান্তি আল্লাহর হুকুম পালন, নিজের গুনাহ ঝেড়ে ফেলা ও নেকির পাল্লাকে ভারি করার আল্লাহর প্রতিশ্রুতি লাভের ফল। আল্লাহপাক তাঁর নবীর মাধ্যমে কতভাবেই না রোযাদারকে সুসংবাদ দান করেছেন। রমযানের মূল উদ্দেশ্য তাকওয়া অর্জন। রোযা রাখার মধ্য দিয়ে রোযাদার সব ধরনের পাপাচার থেকে নিজেকে রক্ষা করে। কোনো নিন্দাবাদ নেই, ঝগড়াঝাটি নেই, মনোমালিন্য নেই এবং এর ফলে দাম্পত্য ও পারিবারিক জীবন এবং সামাজিক জীবনে...
ইসলাম ও সমসাময়িক বিষয়ে ব্যক্তিগত ব্লগ