Skip to main content

Posts

সূরা হুমাযাহ দারস, ব্যাখ্যা ও শিক্ষা

সূরা হুমাযাহ এর দারস সত্যিই শিহরণ জাগায়। আসুন পর্যায়ক্রমে দারসুল কোরআন সূরা হুমাযা এর ব্যাখ্যা ও শিক্ষা জেনে নিই। সরল অর্থ ‘নিশ্চিত ধ্বংস তাদের জন্য যারা মানুষকে সামনা-সামনি গালাগাল ও পেছনে দোষ প্রচার করে, ধ্বংস তাদেরও জন্য যারা ধনমাল জমা করে ও গুনে গুনে রাখে। সে তো মনে করে এ ধনমাল তার কাছে চিরকাল থাকবে। কক্ষণই নয়, সে শীঘ্রই চূর্ণ-বিচূর্ণকারী স্থানে নিক্ষিপ্ত হবে। তুমি কি জান সেই চূর্ণ-বিচূর্ণকারী স্থান কী? আল্লাহর আগুন-প্রচন্ডভাবে উত্তপ্ত-উৎক্ষিপ্ত, অন্তর পর্যন্ত স্পর্শ করে। ওপর থেকে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দেয়া হবে, এমতাবস্থায় তা উঁচু উঁচু থামে ঘেরাও হয়ে থাকবে’। ( সূরা হুমাযাহ ১-৯ ) ব্যাখ্যা ও শিক্ষা মক্কী সূরা এবং প্রাথমিক অবস্থায় অবতীর্ণ। তৎকালীন সমাজের মানুষের বিশেষ করে সম্পদশালী লোকদের নৈতিক ত্রুটি এখানে উল্লেখ করে তাদের ভয়াবহ পরিণতির কথা বলা হয়েছে।  আল্লাহ তায়ালা নবী-রসূল ও কিতাব পাঠিয়েছেন মানব জাতির কল্যাণের জন্য। সেই মানুষকে কষ্ট দেয়া, তাকে হেয় করা, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্ল করা, অপমান করা-তা আল্লাহ তায়ালা কখনই মেনে নিতে পারেন না।  কারণ মানুষ তো তাঁর সেরা সৃষ্টি-তাঁরই প্রতিনিধি। তাঁর ...

দারসুল কুরআন হা-মীম আস সাজদাহ ৩৩-৩৬

হা-মীম আস সাজদা ৩৩-৩৬ ‘‘ তার চেয়ে ভালো কথা আর কার হতে পারে যে ব্যক্তি মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকে ও নিজে নেক আমল করে এবং বলে যে, আমি একজন মুসলমান। হে নবী ! ভালো ও মন্দ কখনো এক নয়। তুমি মন্দকে দূর কর সেই ভালো দ্বারা যা অতীব উত্তম। তাহলে দেখবে তোমার জানের দুশমনরা প্রাণের বন্ধু হয়ে গেছে। এ গুণ কেবল তারাই লাভ করতে পারে যারা অতীব ধৈর্যশীল। এবং অতি ভাগ্যবান ছাড়া এ মর্যাদা কেউ লাভ করতে পারে না। যদি তোমরা শয়তানের পক্ষ থেকে কোন প্ররোচনা অনুভব কর তাহলে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা কর। তিনি সবকিছু শোনেন ও জানেন। ’’ রসূল (সা.)-এর মক্কাজীবনের এমন একটি অধ্যায়ে অবতীর্ণ এই সূরা যখন চরম বিপদ-মুছিবত মুসলমানদের উপর আপতিত হচ্ছিল। মক্কায় টিকতে না পেরে অনেকে আবিসিনিয়ায় হিজরত করেছিলেন। মুসলমানদেরকে শান্তনা দেয়ার সাথে সাথে সেই কঠিন মুহূর্তে তাদের করণীয়ও বলে দেয়া হয়েছে। ঠিক আগের আয়াতে ঈমানদারদের সাহায্যে ফেরেশ্তার আগমন ও জান্নাতের সুসংবাদ শোনানো হয়েছে। আমাদেরকে মনে রাখতে হবে দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজ একান্তভাবে আল্লাহর এবং যারা এ কাজ আঞ্জাম দিয়ে থাকে তারা মূলত আল্লাহর সাহায্যকারী ও প্রতিনিধি। ফলে...

দারসুল কুরআন হা-মীম আস সাজদাহ ২৬-৩২

‘‘ এসব কাফেররা বলে, এ কুরআন তোমরা কখনো শুনবে না। আর যখন তা শুনানো হবে তখন হট্টগোল বাধিয়ে দেবে। হয়তো এভাবে তোমরা বিজয়ী হবে। আমি এসব কাফেরদের কঠিন শাস্তির মজা চাখাবো এবং যে জঘন্যতম তৎপরতা তারা চালিয়ে যাচ্ছে তার পুরো বদলা তাদের দেবো। প্রতিদানে আল্লাহর দুশমনরা যা লাভ করবে তা হচ্ছে দোযখ। সেখানেই হবে তাদের চিরদিনের বাসস্থান। তারা আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করতো। এটা তাদের সেই অপরাধের শাস্তি। সেখানে এসব কাফেররা বলবে, ‘ হে আমাদের রব, সেই সব জিন ও মানুষকে আমাদের দেখিয়ে দাও যারা আমাদের পথভ্রষ্ট করেছিলো। আমরা তাদের পদদলিত করবো, যাতে তারা লাঞ্ছিত ও অপমানিত হয়। যারা ঘোষণা করেছে, আল্লাহ আমাদের রব, অত:পর তার ওপরে দৃঢ় ও স্থির থেকেছে নিশ্চিত তাদের কাছে ফেরেশ্তা আসে এবং তাদের বলে, ভীত হয়ো না, দুঃখ করো না এবং সেই জান্নাতের সুসংবাদ শুনে খুশি হও, তোমাদেরকে যার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। আমরা এই দুনিয়ার জীবনেও তোমাদের বন্ধু এবং আখেরাতেও। সেখানে তোমরা যা চাবে তাই পাবে। আর যে জিনিসেরই আকাঙ্খা করবে তাই লাভ করবে। এটা সেই মহান সত্তার পক্ষ থেকে মেহমানদারীর আয়োজন। তিনি ক্ষমাশীল ও দয়াবান ।’’  সূরা হা...

দরসুল কুরআন সূরা বাকারা

wemwgjøvwni ingvwbi inxg †n Cgvb`viMY! †Zvgiv ˆah© I bvgv‡hi gva¨‡g Avjøvni Kv‡Q mvnvh¨ cÖv_©bv K‡iv, wbðqB Avjøvn ˆah©kxj‡`i mv‡_ i‡q‡Qb| hviv Avjøvni c‡_ wbnZ nq Zv‡`i‡K g„Z e‡jv bv| Zviv RxweZ wKš‘ Zv‡`i Rxeb m¤ú‡K© †Zvgv‡`i †Kvb †PZbv †bB| wbðqB Avwg fq, wec`, Abkb, Rvb-gv‡ji ÿwZ I Avg`vwb n«v‡mi Øviv †Zvgv‡`i‡K cixÿv Ki‡ev| G mg¯Í wec`-gywQeZ Dcw¯’Z n‡j hviv ˆah© Aej¤^b K‡i Ges e‡j †h-ÔAvgiv AvjøvniB Rb¨ Ges ZuviB Kv‡Q wd‡i hveÕ (Bbœv wjjøvwn Iqv Bbœv Bjvqwn i‡RDb)-Zv‡`i Rb¨ mymsev`| Zv‡`i i‡ei cÿ †_‡K Zv‡`i Ici wecyj AbyMÖn ewl©Z n‡e, Zuvi ingZ Zv‡`i‡K Qvqv`vb Ki‡e Ges G ai‡bi †jv‡KivB nq mZ¨vbymvix| m~iv Avj evKvivn& : 153-157 m~~iv evKvivn& KziAvb gwR‡`i me©e„nr m~iv| g`xbvq wnRiZ Kivi ci ciB bvwRj nq Ges wKQz Ask beyq‡Zi G‡Kev‡i †k‡l AeZxY© nq| gymjgvbiv g`xbvq GKwU ÿz`ª f~LÛ jvf Ki‡jI †MvUv Avie Zv‡`i kÎæ n‡q c‡o| g`xbvi ÿz`ª Rbc‡` gynvwRi‡`i AvkÖq`vb, Zv‡`i Kg©ms¯’vb, kÎæi AvµgY AvksKv mewKQz wg‡j GK KwVb Ae¯’vq Zuviv DcbxZ nb| G Ae¯’v †_‡K DËi‡Yi Rb¨ AvjøvnZ...

দারসুল কুরআন সূরা মাউন

‘‘ তুমি কি তাকে দেখেছ যে কিয়ামতের বদলাকে (পুরস্কার ও শাস্তিকে) মিথ্যা মনে করে? সে তো সেই লোক যে ইয়াতিমকে ধাক্কা দেয় এবং মিসকিনকে খাবার দিতে উৎসাহিত করে না। তারপর সেই সব নামাযীদের জন্য ধ্বংস, যারা নিজেদের নামাযের ব্যাপারে অবহেলা করে, যারা লোক দেখানো কাজ করে এবং নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস অপরকে দেয়া থেকে বিরত থাকে। ’’ (সূরা মাউন ১-৭) ছোট্ট এই সূরাটিতে আখিরাতে অবিশ্বাসের ফলে মানুষের মধ্যে যে সব দোষ-ত্রুটি দেখা যায় তা তুলে ধরা হয়েছে এবং এটি মূলত তৎকালীন সমাজেরই একটি চিত্র। সেই সমাজে ইয়াতিম, মিসকিন ও অসহায়দের প্রতি সমাজের প্রভাবশালী লোকদের আচরণ ছিল বড়ই ঘৃণ্য ও নিন্দনীয় এবং সমাজপতি আবু জেহেলের বিরুদ্ধেও এক ইয়াতিম বালকের সম্পদ আত্মসাতের কথা জানা যায়। ‘ তুমি কি দেখেছ? ’ কথাটি বাহ্যত নবী (সা.)-কে উদ্দেশ্য করে বলা হলেও কুরআন অধ্যয়নকারী সকলের উদ্দেশ্যেই বলা হয়েছে। মানুষের মধ্যে নৈতিক চরিত্রের যে সব খারাপ দিকগুলো এখানে উল্লেখ করা হয়েছে, কারো মধ্যে এ সব ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকার অর্থই হলো সে আখিরাতকে অবিশ্বাস করে। আখিরাতে পুরস্কার ও শাস্তিতে বিশ্বাসী কোন ব্যক্তি কখনই ইয়াতিম-মিসকিন ও অসহায়দের স...

উম্মাহর ঐক্য বিনষ্ট করা কুফুরি এবং পরিণতি জাহান্নাম

আল্লাহতায়ালার লক্ষ-কোটি সৃষ্টির মধ্যে মানুষই হলো সেরা। সেই মানুষের মধ্যে বর্ণ-ভাষা-চেহারা-আকার-আকৃতিতে রয়েছে সাংঘাতিক ভিন্নতা। আবার আচার-আচরণ, পছন্দ-অপছন্দ ও মেজাজেও রয়েছে ভিন্নতা। বিশ্বাস ও কর্মেও সব মানুষ এক নয়। এ সব ভিন্নতা দিয়ে আল্লাহতায়ালা সাজিয়েছেন এ মানবসমাজকে। আল্লাহ চাইলে সব মানুষকে এক করে দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। এই ভিন্নতার মধ্যেই রয়েছে সৌন্দর্য। এত সব পার্থক্য থাকার পর আল্লাহতায়ালার কাছে তারাই উত্তম যারা নীতিবান অর্থাৎ আল্লাহকে ভয় করে চলে। ঈমান ও আমলের দিক থেকে মানুষকে দু’টি ভাগে ভাগ করা যায়। এক. মুসলিম (অনুগত), দুই. কাফির (অমান্যকারী)। ইসলাম ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য চিরন্তন এবং তারা একে-অপরের শত্রু (এ শত্রুতা আদর্শিক, আচার-আচরণ ও লেন-দেনে নয়)। ইসলামের বিরুদ্ধে সকল কুফুরিশক্তি একাট্টা। তার মোকাবেলায় ইসলামের পক্ষের সকল শক্তিকে আল্লাহতায়ালা ঐক্যবদ্ধ জীবনযাপনের জন্য তাগিদ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন-‘মু’মিনরা পরস্পর ভাই’। কখনও বলেছেন-‘তোমরা আল্লাহর রজ্জুকে শক্তভাবে ধারণ করো, পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না’। আবার বলেছেন-‘মুহাম্মদ (সা.)-এর সাথীরা কাফিরদের প্রতি অত্যন্ত কঠোর এবং ...

দারসুল হাদিস

Ô`ywbqvUv gyÕwg‡bi Rb¨ KvivMvi I Kvwd‡ii Rb¨ RvbœvZ m`…kÕ| GB nvw`mwU eûj cÖPwjZ| Kv‡iv `y:L-Kó, wec`-gywQeZ †`Lv w`‡jB Avgiv GB nvw`mwU AvDwo‡q _vwK| A_P hviv Avjøvn‡K fq K‡i P‡j Avjøvn Zv‡`i‡K DËg wiwRK I my›`i Rxeb-hvcb Ges `ywbqvq wLjvdZ `v‡bi cÖwZkÖæwZ cÖ`vb K‡i‡Qb| Avwg c«vq 20/25 eQi Av‡M evsjv‡`k gmwR` wgk‡bi hyM¥-m¤úv`K gvIjvbv gxg dRjyi ingvb (giûg)-Gi wbKU †_‡K G nvw`mwUi `i‡m wfbœZi e¨vL¨v ï‡bwQjvg| Avgvi AšÍ‡i †mUv GLbI †Mu‡_ Av‡Q| Avwg †mUvB GLv‡b D‡jøL Ki‡ev| wZwb Av‡jvPbvq e‡jwQ‡jb, im~j (mv.)-Gi kãPqbUv Avgv‡`i eyS‡Z n‡e| Rvbœv‡Zi wecwiZ kã n‡jv Rvnvbœvg (hv `y:L-Kó I kvw¯Í‡fv‡Mi ¯’vb)| im~j (mv.) gyÕwg‡bi Rxeb‡K Rvnvbœv‡gi mv‡_ Zyjbv K‡ibwb, K‡i‡Qb KvivMv‡ii mv‡_| Gev‡i Avgiv e¨vL¨vq Avwm| `ywbqvUv gyÕwg‡bi Rb¨ KvivMvi| 1. KvivMv‡ii RxebUv GKUv wbw`©ó wbqg-k…•Ljvi †eovRv‡j Ave×| Kvivwewa Abymv‡i Zv‡K Pj‡Z nq| gyÕwgb‡KI Avjøvni †`qv wbqg-Kvbyb Abymv‡i G `ywbqvi RxebUv cwiPvjbv Ki‡Z nq| †m GLv‡b eêvnxb I G‡Kev‡i ¯^vaxb bq| nvjvj-nviv‡gi wewa-weav‡bi AvIZvq Z...